অনেকে মনে করেন বেটিং সাইটগুলো শুধু বেশি বেশি বেট করাতে চায় — দায়িত্বশীল গেমিংয়ের কথাটা শুধু নামমাত্র লেখা থাকে। r666-এর বেলায় বিষয়টা আলাদা। আমরা বাংলাদেশের মানুষের জন্য বানানো একটি প্ল্যাটফর্ম — এই দেশের পরিবারগুলোর কথা ভেবেই আমাদের নীতি তৈরি।
একজন সদস্য যদি বেটিংয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন, সেটা তার পরিবারের ক্ষতি। সেই ক্ষতির দায় কোনো বেটিং প্ল্যাটফর্মের নেওয়া উচিত নয় — এটা r666-এর মূল বিশ্বাস। তাই আমরা প্রতিটি সদস্যকে সীমা নির্ধারণের সরঞ্জাম দিই, এবং যারা সমস্যায় পড়েছেন তাদের সাহায্য করতে আমাদের সাপোর্ট টিম বিশেষভাবে প্রস্তুত।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ের ক্ষেত্রে r666-এর পদক্ষেপ কয়েকটি স্তরে কাজ করে। প্রথমত, প্ল্যাটফর্মের নকশায় — অ্যাপের হোম স্ক্রিনে সবার চোখে পড়ে এমন জায়গায় "আমার সীমা নির্ধারণ করুন" বাটন রাখা হয়েছে। এটা শুধু ফুটনোটে থাকে না। দ্বিতীয়ত, সাপোর্ট টিমকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা সমস্যায় পড়া সদস্যকে বিচার না করে সাহায্য করেন। তৃতীয়ত, স্ব-বর্জনে থাকা কোনো সদস্যকে প্রোমোশনাল অফার পাঠানো হয় না — এটা প্রযুক্তিগতভাবে নিশ্চিত করা আছে।
বাংলাদেশে মোবাইলে গেমিং সহজলভ্য হওয়ায় রাত ২টায় একা বসে খেলার প্রলোভন অনেক বেশি। সেই মুহূর্তে নিজের বাজেটের কথা মনে রাখা কঠিন হয়ে যায়। তাই সেশন সময়সীমার টুলটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ — আপনি আগে থেকেই ঠিক করে রাখেন কতক্ষণ খেলবেন, আর অ্যাপ সেটা মনে করিয়ে দেয়।
যদি কখনো মনে হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে — তাহলে সরাসরি r666-এর লাইভ চ্যাটে বলুন। কাস্টমার সাপোর্ট আপনাকে সীমা চালু করতে বা বিরতি নিতে সাহায্য করবে। লজ্জা বা সংকোচ করবেন না — এই কথোপকথন গোপন থাকে এবং আমাদের টিম এটাকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে দেখে।
r666-এ যোগ দেওয়ার অর্থ শুধু বেটিং করা নয় — এটা একটি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মের সাথে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক। সেই সম্পর্ক সুস্থ ও আনন্দদায়ক রাখার দায়িত্ব আমাদের এবং আপনার — একসাথে।